দজ্জালের ধোঁকা থেকে কীভাবে বাঁচবেন? এবং দজ্জালের ক্ষমতার উৎস কি? SR-Media24

Views


1/ দজ্জালের ধোঁকা থেকে কীভাবে বাঁচবো?     
:
হযরত কা’ব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন :

" যে ব্যক্তি দাজ্জালের ফিতনা তে ধৈর্য্য ধারণ করবে তার ফিতনায় পতিত হবে না। সে আর কখনো জীবিত মৃত অবস্থায় ফিতনার মধ্যে পড়বে না।
:
আর যে ব্যক্তি দাজ্জালকে পাবে অথচ তার অনুসরণ করবে না, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।
:
আর যখন কোন ব্যক্তি খালেছ থাকবে আর দাজ্জালকে এক বার মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে, সে বলবে তুমি কে সেটা আমি ভাল করেই জানি। তুমি তো দাজ্জাল।
:
অতপর সে সূরা কাহাফের প্রথমাংশ তেলাওয়াত করবে। আর দাজ্জাল তাকে তার ফিতনায় ফেলতে পারবে না। তার জন্য উক্ত আয়াতগুলি দাজ্জাল থেকে তাবীজের মত হবে।
:
সুতরাং সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যে দাজ্জালের ফিতনা, বিপদ ও হীনতার পূর্বে তার ঈমান নিয়ে নাজাত পেল। আর যে তাকে পাবে সে যেন মুহাস্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উত্তম সাথীদের মত দাজ্জালের বিরুদ্ধে দন্ডায়মান থাকে।
:
( কিতাবুল ফিতান, নুয়াঈম বিন হাম্মাদ : 1524)
:
:
2/ দজ্জালের ক্ষমতার উৎস কি?   
:
হযরত হুযাইফা রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
:
আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল বাহির হবে। আর তার সাথে ইয়াহুদিদের একদল সৈন্য ও কয়েক শ্রেণী মানুষ থাকবে। দাজ্জালের সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম থাকবে। এবং এমন কিছু লোক থাকবে যাদেরকে দাজ্জাল হত্যা করবে ও জীবিত করবে। তার সাথে খাদ্যের পাহাড় ও পানির নদী থাকবে। আর আমি তোমাদের নিকট তার আকৃতি বর্ণনা করছি- সে বাহির হবে এক চক্ষু মিলানো অবস্থায়। তার কপালে কাফের লেখা থাকবে।
:
প্রত্যেক ব্যক্তিই পড়তে পারবে চাই সে ভালভাবে পড়তে পারুক বা না পারুক। আর তার জান্নাত হল জাহান্নাম। আর তার জাহান্নাম হল জান্নাত। আর সে হল মসীহ কাযযাব বা মিথ্যাবদী। ইয়াহুদিদের দশ হাজার মহিলা তার অনুসরণ করবে। অতপর একব্যক্তিকে দয়া করা হবে সে তার তার নির্বোধকে তার অনুসরণ করতে নিষেধ করবে। আর সেদিন কুরআন দ্বারা শক্তি তার উপর থাকবে। আর তার শান হল কঠিন পরীক্ষা।
:
আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে শয়তান প্রেরণ করবেন। তখন তারা তাকে বলবে তুমি যা চাও তাতে আমাদের সাহায্য কামনা কর। অতপর সে বলবে তোমরা যাও আর মানুষদের এখবর দাও যে, আমি তাদের রব। আর আমি তাদের নিকট আমার জান্নাত ও জাহান্নাম নিয়ে আসব।
:
অতপর শয়তানগুলি ঐ খবর ছড়ানোর জন্য চলে যাবে এবং একশ এর বেশী শয়তান এক ব্যক্তির কাছে যাবে। অতপর উক্ত ব্যক্তির পিতা, সন্তান, বোন, মনিব, ব›ন্ধুর আকৃতি ধারণ করবে। অতপর তারা তাকে বলবে হে অমুক আমাদেরকে চিনেছ? তখন উক্ত ব্যক্তি বলবে হ্যাঁ। ইনি আমার পিতা. ইনি আমার মাতা, ইনি আমার বোন, এবং ইনি আমার ভাই। অতপর লোকটি বলবে তোমাদের খবর কি? তখন তারা বলবে তুমি কেমন আছ? তোমার কি খরব আমাদের তা জানাও। তখন লোকটি বলবে আমরা খবর পেয়েছি যে, আল্লাহর শত্রু দাজ্জাল বাহির হয়েছে। তখন শয়তানগুলি তাকে বলবে খবরদার একথা বলোনা। কেনান সে তোমাদের রব। সে তোমাদের মধ্যে ফায়সালা করতে চান।
:
এটা তার জন্নাত, এটা জাহান্নাম যা তিনি সাথে করে নিয়ে এসেছেন। আর তার সাথে আছে নদী, খাবার। ফলে তার সাথে পূর্বের খাবারই থাকবে। তবে আল্লাহ তা’আলা যা চান। তখন লোকটি বলবে তোমরা মিথ্যা কথা বলছ। তোমরা শয়তান ছাড়া আর কেউ নও। আর সে; সে তো মহামিথ্যাবাদী আর এখবর আমরা পেয়েছি। কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের ব্যাপারে আমাদেরকে বলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয় আমাদেরকে সতর্ক করেছেন এবং ভালভাবে খবর দিয়েছেন। সুতরাং তোমাদের জন্য কোন শুভ কামনা নেই। তোমরা হল্ েশয়তান। আর সে হল আল্লাহর শত্রু। আর আল্লাহ তা’আলা ঈসা ইবনে মারিয়াম আ. কে পাঠাবেন এমনকি তিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন।
:
অতপর শয়তানরা অপদস্থ হবে ও দ্রুত পালাবে। অতপর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন আমি একথা তোমাদেরকে বলছি যাতে তোমরা উপলব্ধি ও ভালভাবে ও মন দিয়ে বুঝতে পার। আর একথাগুলো তোমরা তোমাদের পরবর্তী লোকদের নিকট বর্ণনা করবে। এভাবে একে অপরের কাছে বর্ণনা করবে। কেননা তার তথা দাজ্জালের ফিতনা হল সব থেকে বড় ফিতনা।
:
(কিতাবুল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫১৮)
:
:
অর্থাৎ যে জিন দেখে ভয়ে কবিরাজের কাছে দৌড়াই, তাবিজ ব্যবহার করি, এ রকম শত শত জিন, জিনের বাদশা বা ওস্তাদের শক্তি, ক্ষমতার বলে সে মানুষকে হিপনোটাইস বা ধোঁকায় ফেলে দিবে।
:
অতএব দজ্জাল আসলে পালাবেন, দূরে থাকবেন, সূরা কাহাফের দশটি আয়াত পড়বেন।


কোন মন্তব্য নেই

✔যদি ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদের কে জানাবেন।
❌প্লিজ কেউ কেনো প্রকার আজে বাজে কমেন্ট করবেন না।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.