যে যমীন থেকে মানুষ সৃষ্টি সে যমীনেই তাকে দাফন করা হয়।
Views
💛বিছমিল্লাহিররহ্-মানিররহীম💛
💜আসসালামু'য়ালাইকুম💜
☝(যে যমীন থেকে মানুষ সৃষ্টি সে যমীনেই তাকে দাফন করা হয়)☝
📖 হজরত আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, 💕রাসূল (সঃ)💕 মদীনা শরীফের কোন একদিকে যাচ্ছিলেন। একদল লোককে দেখলেন তারা কবর খনন করছে। 💕রাসূল (সঃ)💕তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, কার জন্য কবর খনন করছো? লোকেরা বলল, আবিসিনিয়ার এক লোক এখানে এসে ইন্তেকাল করেছে, তার জন্য কবর করছি।
💕রাসূল(সঃ)💕এরশাদ করলেন, "লা ইলাহা ইল্লালাহ"--ঐ মাটি তাকে এখানে টেনে নিয়ে এসেছে যে মাটি থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ হাদীস অসংখ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন।
হজরত হেলাল ইবনে ইয়াসাফ (রাঃ) বলেন, যত লোক জন্মগ্রহণ করে, তাদের সবার নাভিতে ঐ জায়গার মাটি থাকে যে জায়গায় তাকে মৃত্যুর পর দাফন করা হবে।
হজরত ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, যে ফেরেশতা মানুষের উদরের বাচ্চা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট, সে উদরে বীর্য যাবার পর
💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞-কে জিজ্ঞেস করে যে,এ বীর্য দ্বারা সন্তান পয়দা হবে কিনা, যদি হুকুম হয় যে পয়দা হবে, তখন সে পুনরায় জিজ্ঞেস করে, হে প্রভু! তার খাদ্য কি পরিমাণ হবে, সে কোন যমীনে দাফন হবে? তার বয়স কত হবে, তার আমল কিরুপ হবে? 💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞 তখন বলেন, তুমি লওহে মাহফুজে দেখ। ফেরেশতারা লওহে মাহফুজে চেয়ে দেখে যে, ঐ বাচ্চার খাদ্য, যমীনের উপর চলাফেরা, বয়স, আমল, সবই লেখা আছে। অতঃপর ঐ ফেরেশতা ঐ যমীন থেকে কিছু মাটি নেয়, যে যমীনে এই বাচ্চাকে দাফন করা হবে। তারপর ঐ মাটি বীর্যের সাথে মিশিয়ে বাচ্চার আকৃতি তৈরী হয়।
এ মর্মেই 💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞 ঘোষণা করেনঃ ☝(মিনহা খালাকনাকুম ওয়া ফী-হা নুঈদুকুম)☝
✍অর্থাৎ, " এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দেব।_-(সূরা তোআহা--৫৫)
হজরত ইবনে মাসঊদ (রাঃ) অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণনা করেন, যখন নির্দেশ হয় যে, ঐ বীর্যের সন্তান ভূমিষ্ট হবে, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেশ করেন, ছেলে হবে না মেয়ে, নেককার না বদকার, তার বয়স কত হবে, সে কোথায় কোথায় ভ্রমণ করবে, তার খাদ্য কি পরিমাণ হবে, কোন যমীনে সে মৃত্যুবরণ করবে? অতঃপর হুকুম হয়, তুমি লওহে মাহফুজে দেখে বীর্যকে সম্বোধন করে বলে, খাদ্যদানকারী কে? সে উত্তর দেয় 💞(আল্লাহ্)💞। এরুপ সাতটি কথা জিজ্ঞেস করা হয় এবং প্রত্যেক কথার উত্তরে সে বলে
💞(আল্লাহ্)💞। অতঃপর ঐ বীর্য থেকে সন্তান সৃষ্টি হয়। সন্তান দুনিয়াতে আপন লোকদের কাছে থেকে জীবন-যাপন করে, স্বীয় খাদ্য থেকে খাওয়া-দাওয়ার করে এবং যমীনের উপর চলে। যখন তার মৃত্যু আসে, মারা যায়, এ যমীনেই তাকে দাফন করা হয়। (নাওয়াদেরুল উসূল)
মাতার ইবনে ওকামেস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, 💕রাসূল (সঃ)💕 এরশাদ করেন--যখন 💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞 মালাকুল মঊতকে নির্দেশ করেন, অমুক বান্দার আত্না অমুক যমীন থেকে সংহার করো। তখন তা সেখানে যাওয়ার (হঠাৎ) প্রয়োজন হয়ে যায়।
হাদীসঃ হজরত আবু হোরায়রা ও ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
💕রাসূল (সঃ)💕 এরশাদ করেন, তোমাদের মৃত ব্যক্তিদেরকে নেককার লোকদের কবরের মাঝে দাফন করো। কেননা, মুর্দারদের অসৎ সাথীর দ্বারা কষ্ট হয় যেরুপ জীবিতদের হয়। ((নূরুসসুদূর পৃঃ ৯০))
💛বিছমিল্লাহিররহ্-মানিররহীম💛
💜আসসালামু'য়ালাইকুম💜
☝(যে যমীন থেকে মানুষ সৃষ্টি সে যমীনেই তাকে দাফন করা হয়)☝
📖 হজরত আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, 💕রাসূল (সঃ)💕 মদীনা শরীফের কোন একদিকে যাচ্ছিলেন। একদল লোককে দেখলেন তারা কবর খনন করছে। 💕রাসূল (সঃ)💕তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, কার জন্য কবর খনন করছো? লোকেরা বলল, আবিসিনিয়ার এক লোক এখানে এসে ইন্তেকাল করেছে, তার জন্য কবর করছি।
💕রাসূল(সঃ)💕এরশাদ করলেন, "লা ইলাহা ইল্লালাহ"--ঐ মাটি তাকে এখানে টেনে নিয়ে এসেছে যে মাটি থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ হাদীস অসংখ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন।
হজরত হেলাল ইবনে ইয়াসাফ (রাঃ) বলেন, যত লোক জন্মগ্রহণ করে, তাদের সবার নাভিতে ঐ জায়গার মাটি থাকে যে জায়গায় তাকে মৃত্যুর পর দাফন করা হবে।
হজরত ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, যে ফেরেশতা মানুষের উদরের বাচ্চা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট, সে উদরে বীর্য যাবার পর
💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞-কে জিজ্ঞেস করে যে,এ বীর্য দ্বারা সন্তান পয়দা হবে কিনা, যদি হুকুম হয় যে পয়দা হবে, তখন সে পুনরায় জিজ্ঞেস করে, হে প্রভু! তার খাদ্য কি পরিমাণ হবে, সে কোন যমীনে দাফন হবে? তার বয়স কত হবে, তার আমল কিরুপ হবে? 💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞 তখন বলেন, তুমি লওহে মাহফুজে দেখ। ফেরেশতারা লওহে মাহফুজে চেয়ে দেখে যে, ঐ বাচ্চার খাদ্য, যমীনের উপর চলাফেরা, বয়স, আমল, সবই লেখা আছে। অতঃপর ঐ ফেরেশতা ঐ যমীন থেকে কিছু মাটি নেয়, যে যমীনে এই বাচ্চাকে দাফন করা হবে। তারপর ঐ মাটি বীর্যের সাথে মিশিয়ে বাচ্চার আকৃতি তৈরী হয়।
এ মর্মেই 💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞 ঘোষণা করেনঃ ☝(মিনহা খালাকনাকুম ওয়া ফী-হা নুঈদুকুম)☝
✍অর্থাৎ, " এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দেব।_-(সূরা তোআহা--৫৫)
হজরত ইবনে মাসঊদ (রাঃ) অপর এক রেওয়ায়েতে বর্ণনা করেন, যখন নির্দেশ হয় যে, ঐ বীর্যের সন্তান ভূমিষ্ট হবে, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেশ করেন, ছেলে হবে না মেয়ে, নেককার না বদকার, তার বয়স কত হবে, সে কোথায় কোথায় ভ্রমণ করবে, তার খাদ্য কি পরিমাণ হবে, কোন যমীনে সে মৃত্যুবরণ করবে? অতঃপর হুকুম হয়, তুমি লওহে মাহফুজে দেখে বীর্যকে সম্বোধন করে বলে, খাদ্যদানকারী কে? সে উত্তর দেয় 💞(আল্লাহ্)💞। এরুপ সাতটি কথা জিজ্ঞেস করা হয় এবং প্রত্যেক কথার উত্তরে সে বলে
💞(আল্লাহ্)💞। অতঃপর ঐ বীর্য থেকে সন্তান সৃষ্টি হয়। সন্তান দুনিয়াতে আপন লোকদের কাছে থেকে জীবন-যাপন করে, স্বীয় খাদ্য থেকে খাওয়া-দাওয়ার করে এবং যমীনের উপর চলে। যখন তার মৃত্যু আসে, মারা যায়, এ যমীনেই তাকে দাফন করা হয়। (নাওয়াদেরুল উসূল)
মাতার ইবনে ওকামেস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, 💕রাসূল (সঃ)💕 এরশাদ করেন--যখন 💞(আল্লাহ্ তা'য়ালা)💞 মালাকুল মঊতকে নির্দেশ করেন, অমুক বান্দার আত্না অমুক যমীন থেকে সংহার করো। তখন তা সেখানে যাওয়ার (হঠাৎ) প্রয়োজন হয়ে যায়।
হাদীসঃ হজরত আবু হোরায়রা ও ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত,
💕রাসূল (সঃ)💕 এরশাদ করেন, তোমাদের মৃত ব্যক্তিদেরকে নেককার লোকদের কবরের মাঝে দাফন করো। কেননা, মুর্দারদের অসৎ সাথীর দ্বারা কষ্ট হয় যেরুপ জীবিতদের হয়। ((নূরুসসুদূর পৃঃ ৯০))


কোন মন্তব্য নেই
✔যদি ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদের কে জানাবেন।
❌প্লিজ কেউ কেনো প্রকার আজে বাজে কমেন্ট করবেন না।