রোজা ভঙ্গের কারণ কি কি? কি কি কারণে রোজা ভঙ্গে যায়? রোজা ভঙ্গার কারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা যা সবার জানা দরকার।
Views
🔕 রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহঃ
★ সহবাস করা।
[সহিহ বুখারী ১৯৩৬ ও মুসলিম ১১১১]
★ হস্তমৈথুন বা ইচ্ছা করে বীর্যপাত ঘটানো।
★ পানাহার করা।
[তিরমিযি ৭৮৮]
★ যা কিছু পানাহারের স্থলাভিষিক্ত তা গ্রহন করা (তবে ইনজেকশন নেয়া যাবে)।
★ শিঙ্গা লাগানো কিংবা এ জাতীয় অন্য কোনো কারণে রক্ত বের করা।
[সুনানে আবু দাউদ ২৩৬৭]
★ ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করা (তবে অনিচ্ছাকৃত ভাবে বমি হলে রোজা নষ্ট হবে না)।
[সুনানে তিরমিযি ৭২০]
★ মহিলাদের হায়েয ও নিফাসের কারণে রক্ত বের হওয়া।
[সহিহ বুখারী ৩০৪]
আল্লাহ-পাক আমাদের সবাইকে রোজা ভঙ্গেরর এসব কারণ সমূহ থেকে দূরে রেখে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন। আমিন।।।
-------------------------------------------------------------------
রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহঃ
১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
২. স্ত্রী সহবাস করলে ।
৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।
৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।
৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।
৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।
৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।
১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে। ১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।
১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।
১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।
১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে। রোজার মাকরুহগুলো * অনাবশ্যক কোনো জিনিস চিবানো বা চাখা * কোনো দ্রব্য মুখে দিয়ে রাখা *গড়গড় করা বা নাকের ভেতর পানি টেনে নেয়া কিন্তু পানি যদি নাক দিয়ে গলায় পৌঁছে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে * ইচ্ছাকৃত মুখে থুথু জমা করে গলাধঃকরণ করা * গীবত, গালা-গালি ও ঝগড়া-ফাসাদ করা। কেউ গায়ে পড়ে ঝগড়া-ফাসাদ করতে এলে বলবে, আমি রোজাদার তোমাকে প্রত্যুত্থর দিতে অক্ষম * সাড়া দিন নাপাক অবস্থায় থাকা। এটি অত্যন্ত গুনাহের কাজ * অস্থিরতা ও কাতরতা প্রকাশ করা * কয়লা চিবিয়ে অথবা পাউডার, পেস্ট ও মাজন ইত্যাদি দ্বারা দাঁত পরিষ্কার করা যেসব কারণে রোজা না রাখলেও ক্ষতি নেই: * কোনো অসুখের কারণে রোযা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেললে অথবা অসুখ বৃদ্ধির ভয় হলে। তবে পরে তা কাযা করতে হবে। * গর্ভবতী স্ত্রী লোকের সন্তান বা নিজের প্রাণ নাশের আশঙ্কা হলে রোজা ভঙ্গ করা বৈধ তবে কাযা করে দিতে হবে। * যেসব স্ত্রী লোক নিজের বা অপরের সন্তানকে দুধ পান করান রোজা রাখার ফলে যদি দুধ না আসে তবে রোজা না রাখার অনুমতি আছে কিন্তু পরে কাযা আদায় করতে হবে। * শরিয়তসম্মত মুসাফির অবস্থায় রোযা না রাখার অনুমতি আছে। তবে রাখাই উত্তম। * কেউ হত্যার হুমকি দিলে রোযা ভঙ্গের অনুমতি আছে। পরে এর কাযা করতে হবে।
🔕 রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহঃ
★ সহবাস করা।
[সহিহ বুখারী ১৯৩৬ ও মুসলিম ১১১১]
★ হস্তমৈথুন বা ইচ্ছা করে বীর্যপাত ঘটানো।
★ পানাহার করা।
[তিরমিযি ৭৮৮]
★ যা কিছু পানাহারের স্থলাভিষিক্ত তা গ্রহন করা (তবে ইনজেকশন নেয়া যাবে)।
★ শিঙ্গা লাগানো কিংবা এ জাতীয় অন্য কোনো কারণে রক্ত বের করা।
[সুনানে আবু দাউদ ২৩৬৭]
★ ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করা (তবে অনিচ্ছাকৃত ভাবে বমি হলে রোজা নষ্ট হবে না)।
[সুনানে তিরমিযি ৭২০]
★ মহিলাদের হায়েয ও নিফাসের কারণে রক্ত বের হওয়া।
[সহিহ বুখারী ৩০৪]
আল্লাহ-পাক আমাদের সবাইকে রোজা ভঙ্গেরর এসব কারণ সমূহ থেকে দূরে রেখে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন। আমিন।।।
-------------------------------------------------------------------
রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহঃ
১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
২. স্ত্রী সহবাস করলে ।
৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।
৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।
৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।
৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।
৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।
১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে। ১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।
১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।
১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।
১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে। রোজার মাকরুহগুলো * অনাবশ্যক কোনো জিনিস চিবানো বা চাখা * কোনো দ্রব্য মুখে দিয়ে রাখা *গড়গড় করা বা নাকের ভেতর পানি টেনে নেয়া কিন্তু পানি যদি নাক দিয়ে গলায় পৌঁছে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে * ইচ্ছাকৃত মুখে থুথু জমা করে গলাধঃকরণ করা * গীবত, গালা-গালি ও ঝগড়া-ফাসাদ করা। কেউ গায়ে পড়ে ঝগড়া-ফাসাদ করতে এলে বলবে, আমি রোজাদার তোমাকে প্রত্যুত্থর দিতে অক্ষম * সাড়া দিন নাপাক অবস্থায় থাকা। এটি অত্যন্ত গুনাহের কাজ * অস্থিরতা ও কাতরতা প্রকাশ করা * কয়লা চিবিয়ে অথবা পাউডার, পেস্ট ও মাজন ইত্যাদি দ্বারা দাঁত পরিষ্কার করা যেসব কারণে রোজা না রাখলেও ক্ষতি নেই: * কোনো অসুখের কারণে রোযা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেললে অথবা অসুখ বৃদ্ধির ভয় হলে। তবে পরে তা কাযা করতে হবে। * গর্ভবতী স্ত্রী লোকের সন্তান বা নিজের প্রাণ নাশের আশঙ্কা হলে রোজা ভঙ্গ করা বৈধ তবে কাযা করে দিতে হবে। * যেসব স্ত্রী লোক নিজের বা অপরের সন্তানকে দুধ পান করান রোজা রাখার ফলে যদি দুধ না আসে তবে রোজা না রাখার অনুমতি আছে কিন্তু পরে কাযা আদায় করতে হবে। * শরিয়তসম্মত মুসাফির অবস্থায় রোযা না রাখার অনুমতি আছে। তবে রাখাই উত্তম। * কেউ হত্যার হুমকি দিলে রোযা ভঙ্গের অনুমতি আছে। পরে এর কাযা করতে হবে।


কোন মন্তব্য নেই
✔যদি ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদের কে জানাবেন।
❌প্লিজ কেউ কেনো প্রকার আজে বাজে কমেন্ট করবেন না।