ধৈর্য ধারণ করার ফজিলত। ধৈর্য ধারণ করলে কি কি ফজিলত হয়?
Views
ধৈর্য ধারন করার ফযীলতঃ-
আল্লাহ তায়ালার বাণী...!!
إِنِّي جَزَيْتُهُمُ الْيَوْمَ بِمَا صَبَرُوا أَنَّهُمْ هُمُ الْفَائِزُونَ ﴿١١١﴾
(১) আমি আজ তাদেরকে তাদের ধৈর্যের পুরস্কার এই দিলাম যে, তারা সফলকাম হয়েছে। ( সূরা মুমিনুন-১১১)
وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ ﴿٤٣﴾
(২) আর যে ধৈর্য ধরে এবং ক্ষমা করে দেয়, এটা অবশ্য সাহসিকতাপূর্ণ কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত। (সূরা -শূরা -৪৩)
وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ﴿١٥٥﴾ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّـهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ﴿١٥٦﴾ أُولَـٰئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ ۖ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ ﴿١٥٧﴾
(৩) আর সুসংবাদ শুনিয়ে দিন এমন ধৈর্যশীলদেরকে যখন তাদের উপর মুসীবত আসে, তখন বলে, আমরা তো আল্লাহরই আয়ত্তে, আর আমরা সকলে আল্লাহরই সমীপে প্রত্যাবর্তনকারী। তাদের প্রতি বর্ষিত হবে বিশেষ করুণাসমূহ তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে এবং সাধারণ করুণাও। আর এরাই এমন লোক যারা হেদায়াত প্রাপ্ত হয়েছে। (সূরা বাকারা ১৫৫-১৫৭)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ إِنَّ اللَّـهَ مَعَ الصَّابِرِينَ ﴿١٥٣﴾
(৪) হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামায দ্বারা সাহায্য কামনা কর । নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকেন। (সূরা বাকারা-১৫৩)
مَا عِندَكُمْ يَنفَدُ ۖ وَمَا عِندَ اللَّـهِ بَاقٍ ۗ وَلَنَجْزِيَنَّ الَّذِينَ صَبَرُوا أَجْرَهُم بِأَحْسَنِ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٩٦﴾
(৫) যা কিছু তোমাদের নিকট আছে, তা নিঃশেষ হয়ে যাবে, আর যা আল্লাহর নিকট আছে, তা চিরন্তন থাকবে; আর যারা ধৈর্যধারণ করবে আমি অবশ্যই তাদের পুরস্কার প্রদান করব তাদের ভাল কাজের বিনিময়ে। (সূরা-নাহল-৯৬)
وَجَزَاهُم بِمَا صَبَرُوا جَنَّةً وَحَرِيرًا ﴿١٢﴾ مُّتَّكِئِينَ فِيهَا عَلَى الْأَرَائِكِ ۖ لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا ﴿١٣﴾
(৬) আর তাদের ধৈর্যের বিনিময়ে তাদেরকে জান্নাত এবং রেশমী পোশাক প্রদান করবেন। এমতাবস্থায় যে, তারা তার মধ্যে পালঙ্কের উপর হেলান দিয়ে থাকবে, সেখানে তারা না উত্তাপ ভোগ করবে আর না শীত (বরং পরিবেশ হবে নাতিশীতোষ্ণ)। (সূরা- দাহর-১২-১৩)
لَّيْسَ الْبِرَّ أَن تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَـٰكِنَّ الْبِرَّ مَنْ آمَنَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ وَآتَى الْمَالَ عَلَىٰ حُبِّهِ ذَوِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّائِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَالْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَاهَدُوا ۖ وَالصَّابِرِينَ فِي الْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ وَحِينَ الْبَأْسِ ۗ أُولَـٰئِكَ الَّذِينَ صَدَقُوا ۖ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ ﴿١٧٧﴾
(৭) বরং নেক কাজ তো এটা যে, কোন ব্যক্তি ঈমান রাখে আল্লাহর প্রতি, কিয়ামত দিবসের প্রতি ....... আর যারা ধৈর্যধারণ করে অভাব অনটনে, অসুখে-বিসুখে ও যুদ্ধ-জিহাদে। এরাই সত্যিকারের মানুষ, এরাই সত্যিকারের খোদাভীরু। (সূরা বাকারা-১৭৭)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সকল বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারন করার তাওফিক দান করুন।
★আমিন।
ধৈর্য ধারন করার ফযীলতঃ-
আল্লাহ তায়ালার বাণী...!!
إِنِّي جَزَيْتُهُمُ الْيَوْمَ بِمَا صَبَرُوا أَنَّهُمْ هُمُ الْفَائِزُونَ ﴿١١١﴾
(১) আমি আজ তাদেরকে তাদের ধৈর্যের পুরস্কার এই দিলাম যে, তারা সফলকাম হয়েছে। ( সূরা মুমিনুন-১১১)
وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ ﴿٤٣﴾
(২) আর যে ধৈর্য ধরে এবং ক্ষমা করে দেয়, এটা অবশ্য সাহসিকতাপূর্ণ কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত। (সূরা -শূরা -৪৩)
وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ﴿١٥٥﴾ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّـهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ﴿١٥٦﴾ أُولَـٰئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ ۖ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ ﴿١٥٧﴾
(৩) আর সুসংবাদ শুনিয়ে দিন এমন ধৈর্যশীলদেরকে যখন তাদের উপর মুসীবত আসে, তখন বলে, আমরা তো আল্লাহরই আয়ত্তে, আর আমরা সকলে আল্লাহরই সমীপে প্রত্যাবর্তনকারী। তাদের প্রতি বর্ষিত হবে বিশেষ করুণাসমূহ তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে এবং সাধারণ করুণাও। আর এরাই এমন লোক যারা হেদায়াত প্রাপ্ত হয়েছে। (সূরা বাকারা ১৫৫-১৫৭)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ إِنَّ اللَّـهَ مَعَ الصَّابِرِينَ ﴿١٥٣﴾
(৪) হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামায দ্বারা সাহায্য কামনা কর । নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকেন। (সূরা বাকারা-১৫৩)
مَا عِندَكُمْ يَنفَدُ ۖ وَمَا عِندَ اللَّـهِ بَاقٍ ۗ وَلَنَجْزِيَنَّ الَّذِينَ صَبَرُوا أَجْرَهُم بِأَحْسَنِ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٩٦﴾
(৫) যা কিছু তোমাদের নিকট আছে, তা নিঃশেষ হয়ে যাবে, আর যা আল্লাহর নিকট আছে, তা চিরন্তন থাকবে; আর যারা ধৈর্যধারণ করবে আমি অবশ্যই তাদের পুরস্কার প্রদান করব তাদের ভাল কাজের বিনিময়ে। (সূরা-নাহল-৯৬)
وَجَزَاهُم بِمَا صَبَرُوا جَنَّةً وَحَرِيرًا ﴿١٢﴾ مُّتَّكِئِينَ فِيهَا عَلَى الْأَرَائِكِ ۖ لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا ﴿١٣﴾
(৬) আর তাদের ধৈর্যের বিনিময়ে তাদেরকে জান্নাত এবং রেশমী পোশাক প্রদান করবেন। এমতাবস্থায় যে, তারা তার মধ্যে পালঙ্কের উপর হেলান দিয়ে থাকবে, সেখানে তারা না উত্তাপ ভোগ করবে আর না শীত (বরং পরিবেশ হবে নাতিশীতোষ্ণ)। (সূরা- দাহর-১২-১৩)
لَّيْسَ الْبِرَّ أَن تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَـٰكِنَّ الْبِرَّ مَنْ آمَنَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ وَآتَى الْمَالَ عَلَىٰ حُبِّهِ ذَوِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّائِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَالْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَاهَدُوا ۖ وَالصَّابِرِينَ فِي الْبَأْسَاءِ وَالضَّرَّاءِ وَحِينَ الْبَأْسِ ۗ أُولَـٰئِكَ الَّذِينَ صَدَقُوا ۖ وَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ ﴿١٧٧﴾
(৭) বরং নেক কাজ তো এটা যে, কোন ব্যক্তি ঈমান রাখে আল্লাহর প্রতি, কিয়ামত দিবসের প্রতি ....... আর যারা ধৈর্যধারণ করে অভাব অনটনে, অসুখে-বিসুখে ও যুদ্ধ-জিহাদে। এরাই সত্যিকারের মানুষ, এরাই সত্যিকারের খোদাভীরু। (সূরা বাকারা-১৭৭)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সকল বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারন করার তাওফিক দান করুন।
★আমিন।


কোন মন্তব্য নেই
✔যদি ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাদের কে জানাবেন।
❌প্লিজ কেউ কেনো প্রকার আজে বাজে কমেন্ট করবেন না।